দৈনিক মানবিক বাংলাদেশ

Menu
  • সাংবাদিক তালিকা
    • সম্পাদকীয় মন্ডলী
    • বিভাগীয় সম্পাদক
    • ব্যুরো প্রধান
    • সিনিয়র রিপোর্টার
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • জেলা প্রতিনিধি
    • উপজেলা প্রতিনিধি
    • বিশেষ প্রতিবেদক
    • ক্রাইম রিপোর্টার
    • অফিস স্টাফ
    • ভিডিও সাংবাদিক
    • ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    • বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি
রাত ১০:১৫, ২৭শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
নোটিশ
ই-পেপার
Menu
  • সাংবাদিক তালিকা
    • সম্পাদকীয় মন্ডলী
    • বিভাগীয় সম্পাদক
    • ব্যুরো প্রধান
    • সিনিয়র রিপোর্টার
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • জেলা প্রতিনিধি
    • উপজেলা প্রতিনিধি
    • বিশেষ প্রতিবেদক
    • ক্রাইম রিপোর্টার
    • অফিস স্টাফ
    • ভিডিও সাংবাদিক
    • ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    • বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি
  • প্রচ্ছদ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব সংবাদ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • বাণিজ্য
  • লাইফস্টাইল
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • রাজধানী
  • প্রবাস
  • আইন-আদালত
Menu
  • প্রচ্ছদ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব সংবাদ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • বাণিজ্য
  • লাইফস্টাইল
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • রাজধানী
  • প্রবাস
  • আইন-আদালত
হোম সারাদেশ

১৩ বিষয়ে নেই শিক্ষক, ব্যাহত হচ্ছে সরকারি কলেজের পাঠদান

অক্টোবর ১২, ২০২৬
in সারাদেশ
A A
0
১৩ বিষয়ে নেই শিক্ষক, ব্যাহত হচ্ছে সরকারি কলেজের পাঠদান
Share on FacebookShare on Twitter

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

কুড়িগ্রামের রাজারহাট সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজে শিক্ষক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ৬০টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২৭জন। শূন্য রয়েছে ৩৩টি পদ। এর মধ্যে ১৩টি বিষয়ে কোনো শিক্ষকই নেই। ফলে এক বিষয়ের শিক্ষককে অন্য বিষয়ের ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে বিষয়ভিত্তিক পাঠদান। শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি পর্যাপ্ত অ্যাকাডেমিক ভবন ও শ্রেণিকক্ষ না থাকায় জীর্ণ টিনশেড ভবনে দুর্ভোগের মধ্যে ক্লাস করছে কলেজটির সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার একমাত্র সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি অনার্স কোর্স চালু রয়েছে ছয়টি বিষয়ে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের অনার্সের পাঠদান, প্রশাসনিক ও অন্যান্য অ্যাকাডেমিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিকের বিভিন্ন বিষয়ে ক্লাস নিতে হচ্ছে। কোনো কোনো শিক্ষক অন্য বিষয়ে অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা থাকায় ক্লাস চালিয়ে নিতে পারলেও বিষয়ভিত্তিক বিশেষায়িত পাঠদান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীদের সাময়িকভাবে পাঠদানের আওতায় রাখা গেলেও কাঙ্ক্ষিত বিশেষায়িত শিক্ষা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। কৃষি, গার্হস্থ্য, মনোবিজ্ঞানসহ একাধিক বিষয়ে শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অতিথি শিক্ষক দিয়ে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। শিক্ষক সংকটের সঙ্গে রয়েছে অবকাঠামোগত দুর্ভোগ।

এছাড়া পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় একই সময়ে সব বিভাগের ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয় না। পুরোনো টিনশেড ভবনের বিভিন্ন অংশ জীর্ণ হয়ে পড়েছে। বর্ষায় ছাদ চুইয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। এতে ক্লাস ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট কলেজটি জাতীয়করণ হলেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবি, দ্রুত শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষ সংস্কার ও প্রয়োজনীয় অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হোক।

সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মোঃ লাল মিয়া বলেন, আমরা খুব কষ্ট করে পড়াশোনা করছি এই ভবনে। আমাদের সরকারি কোনো ভালো ভবন নেই এবং অ্যাকাডেমিক ভবনের অবস্থা খুবই খারাপ। বর্ষাতে পানি নিচে আসে এবং আমাদের ক্লাস করতে অসুবিধা হয়।

একই ক্লাসের শিক্ষার্থী মোছাঃ মাস্তুমা আক্তার বলেন, কৃষি,গার্হস্থ্য, মনোবিজ্ঞানসহ অনেক বিষয়ের শিক্ষক

আমাদের এখানে নেই। আমাদের কলেজে শিক্ষক না থাকার কারণে আমরা ভালোভাবে ক্লাস করতে পারছি না। এতে পাঠদান অনেক ব্যাহত হচ্ছে।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগীয় প্রধান মোছাঃ মিনারা বেগম বলেন, আমাদের ১৩টা সাবজেক্টের শিক্ষক নেই, একদম শূন্য। সরকারের কাছে আবেদন, ক্যাডার দেন বা নন-ক্যাডারই দেন, খুব দ্রুত আমাদের এখানে শিক্ষকের ব্যবস্থা করবেন। সাধারণ শিক্ষক হয়ে আমাদেরকে অন্যান্য সাবজেক্টের দিকে যেতে হচ্ছে যেটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।

হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোঃ যাবের ইবনে হুদা বলেন, ১৩টি বিষয়ে কোনো শিক্ষক নেই। যেমন- আমি আমার হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের পাশাপাশি পরিসংখ্যান এবং অর্থনীতি দুটি বিষয়েই আমি ক্লাস নিচ্ছি। এ দুটি বিষয়ে আমার অনার্সে পড়াশোনা ছিল, এজন্য আমি ক্লাস নিতে পারছি। কিন্তু সেই বিশেষায়িত শিক্ষা আমি প্রদান করতে পারি না। আমি শুধুমাত্র চালিয়ে যাচ্ছি যাতে করে তাদের পড়াশোনা স্থবির হয়ে না যায়।

কলেজের দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তপতী রায় বলেন, এখানে ছয়টা বিভাগে যেহেতু অনার্স আছে, যে অনর্সের যেই বিভাগের শিক্ষক তিনি অনার্সের দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আছেন, সেখানেই ব্যস্ত থাকতে হয়। নিচের ইন্টারমিডিয়েট লেভেল থেকে শুরু করে অন্যান্য সাবজেক্টগুলোর বিষয় খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না।

সরকারি ইসমাইল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থীর ৬০টি শিক্ষকের পদের মধ্যে ৩৩ জনই নেই, কর্মরত আছেন ২৭ জন। এখানে শিক্ষক স্বল্পতা এবং কর্মচারীর স্বল্পতা আছে, অ্যাকাডেমিক ভবন নেই। বিজ্ঞান বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। আমি আশা করব, কর্তৃপক্ষ অতি তাড়াতাড়ি বিষয়টির সমাধান করবেন।

Recommended

মাদকের নেশায় অতিষ্ঠ পিতা, ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে কারাদণ্ড নিশ্চিত

মাদকের নেশায় অতিষ্ঠ পিতা, ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে কারাদণ্ড নিশ্চিত

5 months আগে
যমুনা ও সচিবালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

যমুনা ও সচিবালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

1 year আগে

Popular News

    Connect with us

    ফেসবুক

    টুইটার

    ইউটিউব

    ইন্সটাগ্রাম

    সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ আলী

    সম্পাদকীয় কার্যালয়: গাজী ভবন (৩য় তলা), প্লট : ৩৫, রোড : ২, ব্লক : খ, সেকশন-৬, ঢাকা-১২১৬।

    Email: news.manabikbangladesh@gmail.com

    Website: www.manabikbangladesh.com Phone : +8809638-360743