দৈনিক মানবিক বাংলাদেশ

Menu
  • সাংবাদিক তালিকা
    • সম্পাদকীয় মন্ডলী
    • বিভাগীয় সম্পাদক
    • ব্যুরো প্রধান
    • সিনিয়র রিপোর্টার
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • জেলা প্রতিনিধি
    • উপজেলা প্রতিনিধি
    • বিশেষ প্রতিবেদক
    • ক্রাইম রিপোর্টার
    • অফিস স্টাফ
    • ভিডিও সাংবাদিক
    • ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    • বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি
রাত ১:১০, ২১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
নোটিশ
ই-পেপার
Menu
  • সাংবাদিক তালিকা
    • সম্পাদকীয় মন্ডলী
    • বিভাগীয় সম্পাদক
    • ব্যুরো প্রধান
    • সিনিয়র রিপোর্টার
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • জেলা প্রতিনিধি
    • উপজেলা প্রতিনিধি
    • বিশেষ প্রতিবেদক
    • ক্রাইম রিপোর্টার
    • অফিস স্টাফ
    • ভিডিও সাংবাদিক
    • ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    • বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি
  • প্রচ্ছদ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব সংবাদ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • বাণিজ্য
  • লাইফস্টাইল
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • রাজধানী
  • প্রবাস
  • আইন-আদালত
Menu
  • প্রচ্ছদ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব সংবাদ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • বাণিজ্য
  • লাইফস্টাইল
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • রাজধানী
  • প্রবাস
  • আইন-আদালত
হোম সারাদেশ

৪৪৮ কোটি টাকার ব্রহ্মপুত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধ কেটে রাস্তা

জুলাই ৪, ২০২৬
in সারাদেশ
A A
0
৪৪৮ কোটি টাকার ব্রহ্মপুত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধ কেটে রাস্তা
Share on FacebookShare on Twitter

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন ঠেকাতে ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা বাঁধটি এখন প্রচণ্ড হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙন থেকে এলাকাকে রক্ষা করার পরিবর্তে উল্টো সেই বাঁধ কেটেই নদীতীর সংরক্ষণ ব্লক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বালুবাহী ট্রাক চলাচলের রাস্তা। অবাধে বালু উত্তোলন আর ভারী যান চলাচলের কারণে সরকারের শতকোটি টাকার এই তীররক্ষা প্রকল্প যেমন ভেস্তে যেতে বসেছে, তেমনি নতুন করে নদীভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপারের হাজারো মানুষ। 

এমন বেহাল প্রকল্পটির রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির দায়িত্বে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মনে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

৯টি স্থানে মাটি ও ব্লক কেটে সংযোগ সড়ক- 

কাঁচকোল থেকে ফকিরের হাট পর্যন্ত ডানতীর রক্ষা বাঁধ ঘুরে দেখা গেছে এক বিধ্বংসী চিত্র। ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন রুখতে যে বাঁধ দেওয়া হয়েছিল, তারই অন্তত ৯টি স্থানে নির্বিচারে মাটি ও ব্লক কেটে বালুবাহী ডাম্প ট্রাক চলাচলের জন্য সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। বিশেষ করে কালিরকুড়া টি-বাঁধ থেকে ফকিরেরহাট বাঁধমোড় পর্যন্ত মাত্র এক কিলোমিটার অংশের মধ্যেই ৭টি স্থানে বাঁধ কেটে ফেলা হয়েছে। এসব অবৈধ সড়ককে ভারী ট্রাক চলাচলের উপযোগী করতে ব্যবহার করা হয়েছে খোদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কোটি টাকা মূল্যের পিচিং ব্লক। 

দীর্ঘদিন ধরে এসব পথ দিয়ে ভেজা বালুভর্তি ভারী ডাম্প ট্রাক চলাচল করায় বাঁধের বিভিন্ন অংশ ধসে গিয়ে নিচু হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে বাঁধের অন্তত ৩৩টি স্থানে ভয়াবহ ভাঙন ও ধস দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, ‘রাস্তা ধসে যাওয়ায় এখন আমাদের মূল বাঁধ দিয়ে হাঁটার উপায়ও নেই, যে কোনো সময় পুরো বাঁধ নদীতে বিলীন হতে পারে। বাঁধ বিলীন হলে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। 

গত দুই বছরে ১৩ নতুন বালুর পয়েন্ট সক্রিয়:

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই বালু বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণও হাতবদল হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কাঁচকোল থেকে ফকিরেরহাট পর্যন্ত মাত্র দুটি বালু উত্তোলন পয়েন্ট সক্রিয় ছিল। তবে ৫ আগস্টের পর স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এই বালু ব্যবসা। 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিএনপি নেতা মোঃ আজাহার আলী, মোঃ রেজাউল মাস্টার, মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া, ছাত্রদল নেতা মোঃ আয়জুল ইসলাম, প্রভাবশালী মোঃ আমিনুর রহমান, মোঃ আবু বক্কর, মো. লিটন মিয়া ও আতাউর রহমান আতা এ কাজে জড়িত। এ তালিকায় রয়েছে প্রভাবশালী আরও কয়েকজন। তারা হলেন, রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নান্নু মিয়া, স্থানীয় প্রভাবশালী মো. লিটন মিয়া, আমিনুর রহমান, আবু বক্কর, উলিপুর যুবদল নেতা লিটন মিয়া, রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নান্নু মিয়া। তারা বাঁধ কেটে ও সংরক্ষণ ব্লক অপসারণ করে অন্তত ১৩টি নতুন বালু উত্তোলন পয়েন্ট চালু করেছিলেন। যদিও তীব্র জনরোষের মুখে বর্তমানে এই পয়েন্টগুলোর বালু তোলা বন্ধ আছে, তবে রেখে যাওয়া ক্ষতচিহ্ন পুরো এলাকাকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।

এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ আবু হানিফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এই ব্যবসার সঙ্গে দলের সম্পর্ক নেই, কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থে এটি করেছে। এরপরও দলের কারও সম্পৃক্ততা থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আতঙ্কে ব্রহ্মপুত্র নদপারের মানুষের ঘুম নেই:

নদীপারের বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি মাসে এসব পয়েন্ট থেকে পরিকল্পিত ও অপরিকল্পিতভাবে ৪ থেকে ৫ লাখ ঘনমিটার বালু উত্তোলন করা হতো। এর ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে গেছে; যার সরাসরি প্রভাবে কাঁচকোল থেকে ফকিরেরহাট পর্যন্ত ডানতীর রক্ষা বাঁধে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অন্তত সাতটি স্থানে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দেয়।

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ময়নার খামার এলাকার বাসিন্দা মোঃ আননাত মিয়া বলেন, ‘সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে আমাদের বাঁচানোর জন্য বাঁধ দিল, আর প্রভাবশালীরা নিজেদের পকেট ভরতে সেই বাঁধ কেটেই রাস্তা বানাল। চলছে ভরা বর্ষাকাল। নদীতে স্রোত আর পানি বাড়লে এই কাটা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে পুরো এলাকা ভেসে যাবে। আমরা এখন আতঙ্কে রাতে ঘুমাতে পারি না।’

একই ইউনিয়নের ফকিরপাড়ার মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে বালু তোলার কাজ বন্ধ থাকলেও বাঁধের যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামতের উদ্যোগ নেই। কেটে রাখা রাস্তাগুলো ধসে পড়ে পুরো এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। 

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের আমলাতান্ত্রিক ধীরগতি:

সচেতন নাগরিকদের মতে, অনতিবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীতীর সংরক্ষণ কাজ এবং এক কিলোমিটার বিকল্প বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সম্পূর্ণ নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। একই সঙ্গে বালুভর্তি ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীণ সড়কগুলোও ধ্বংসের মুখে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মুকুল মণ্ডল সরাসরি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করে বলেন, ‘পাউবোর কর্মকর্তারা সবকিছু চোখের সামনে দেখলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প যেমন ধ্বংস হচ্ছে, তেমনি আমাদেরও মরার দশা।’

এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহমুদুল হাসান জানান, বাঁধ কেটে বালু পরিবহনের জন্য নির্মিত অবৈধ সড়কগুলোর বিষয়টি প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এসব সড়ক দ্রুত অপসারণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে লিখিত বা মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তবে কুড়িগ্রাম জেলার পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসানের বক্তব্যে আমলাতান্ত্রিক ধীরগতির আভাস স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘বাঁধ কেটে নির্মিত অবৈধ সড়ক অপসারণে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়েছি। অনুমোদন পাওয়া গেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অংশগুলো মেরামতে বরাদ্দের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।’ বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাউবো সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে তিনি দাবি করেন।

Recommended

হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন শুরুর তারিখ নির্ধারণ

হজ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের নতুন সিদ্ধান্ত

3 months আগে
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা

5 months আগে

Popular News

    Connect with us

    ফেসবুক

    টুইটার

    ইউটিউব

    ইন্সটাগ্রাম

    সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ আলী

    সম্পাদকীয় কার্যালয়: গাজী ভবন (৩য় তলা), প্লট : ৩৫, রোড : ২, ব্লক : খ, সেকশন-৬, ঢাকা-১২১৬।

    Email: news.manabikbangladesh@gmail.com

    Website: www.manabikbangladesh.com Phone : +8809638-360743