আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে জেলার প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ হোটেলে, বাসা-বাড়ি ও পরিবহনে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করেন। এছাড়া বহুদিন ধরে রান্নার জন্য কুড়িগ্রাম বাসীর প্রধান ভরসা সিলিন্ডার গ্যাস। কিন্তু গত ১-২ সপ্তাহ থেকে বাড়তি দামেও সঠিক সময়ে গ্যাস মিলছে না। এদিকে সরকারি দাম ১ হাজার ৩ শত ৬ টাকা হলেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ শত থেকে ৫ শত টাকা বেশিতে ।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার এিমোহনী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মাসুদ রানা বলেন, গত কয়েক দিন থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।কিন্তু না কিনি উপায় নাই বাড়িতে রান্না বান্না করবে কী দিয়ে।
কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা শ্রী রতন চন্দ্র বলেন, শহরে বসবাস করি বর্তমানে গ্যাস সংকটে পরিবারের রান্না করতে সমস্যা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে টাকা দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছি না।
অপরদিকে কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার শহরের প্রাণকেন্দ্রে শাপলা চত্বরে জান্নাত হোটেলের মালিক মুন্না বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় তো খাবারের দাম বাড়াতে পারছি। বর্তমানে ব্যবসা করতে একটু লোকসান গুনতে হয়।
কুড়িগ্রাম শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যমুনা গ্যাসের ডিলার মোঃ বদরুল আহসান মামুন জানান, চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ক্রয় মূল্যের সাথে পরিবহন খরচ ও স্বাভাবিক কিছু মুনাফা যোগ দিয়ে বিক্রি করছি। এতে আগের দামের তুলনায় সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
গ্যাস সংকটে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে অভিযানে নেমেছে কুড়িগ্রাম জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলার ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শেখ সাদী জানান, প্রতিদিন আমরা অভিযান চলমান রেখেছি। এছাড়া যে সমস্ত ব্যবসায়ী বাজার সিন্ডিকেট তৈরি করে বর্তমান মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।


