দৈনিক মানবিক বাংলাদেশ

Menu
  • সাংবাদিক তালিকা
    • সম্পাদকীয় মন্ডলী
    • বিভাগীয় সম্পাদক
    • ব্যুরো প্রধান
    • সিনিয়র রিপোর্টার
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • জেলা প্রতিনিধি
    • উপজেলা প্রতিনিধি
    • বিশেষ প্রতিবেদক
    • ক্রাইম রিপোর্টার
    • অফিস স্টাফ
    • ভিডিও সাংবাদিক
    • ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    • বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি
ভোর ৫:১৯, ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
নোটিশ
ই-পেপার
Menu
  • সাংবাদিক তালিকা
    • সম্পাদকীয় মন্ডলী
    • বিভাগীয় সম্পাদক
    • ব্যুরো প্রধান
    • সিনিয়র রিপোর্টার
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • জেলা প্রতিনিধি
    • উপজেলা প্রতিনিধি
    • বিশেষ প্রতিবেদক
    • ক্রাইম রিপোর্টার
    • অফিস স্টাফ
    • ভিডিও সাংবাদিক
    • ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    • বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি
  • প্রচ্ছদ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব সংবাদ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • বাণিজ্য
  • লাইফস্টাইল
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • রাজধানী
  • প্রবাস
  • আইন-আদালত
Menu
  • প্রচ্ছদ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব সংবাদ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • বাণিজ্য
  • লাইফস্টাইল
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • রাজধানী
  • প্রবাস
  • আইন-আদালত
হোম সারাদেশ

বন্যা পেরিয়ে গেলেও বানভাসীদের ভাগ্যে জোটেনি বরাদ্দের চাল

আগস্ট ২, ২০২৬
in সারাদেশ
A A
0
বন্যা পেরিয়ে গেলেও বানভাসীদের ভাগ্যে জোটেনি বরাদ্দের চাল
Share on FacebookShare on Twitter

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম খোদাদাদ হোসেনের অবহেলায় বন্যা পেরিয়ে গেলেও বানভাসীদের ভাগ্যে জোটেনি বরাদ্দের চাল। তিনি পৌরসভার প্রশাসক হওয়ার সুবিধার্থে পৌরসভার রাজস্ব টাকা ব্যয় করছেন উপজেলা পরিষদে। এছাড়াও হাট ইজারার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছর জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জুলাই মাসে দুই দফা বন্যার কবলে পড়ে উপজেলার ৫টি ইনিয়নের ২০টি ওয়ার্ডের মানুষ। উপজেলা ত্রান শাখার হিসেব অনুয়ায়ী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয় ২হাজার ৬৪০ জন মানুষ। একই সময় নদী ভাঙনের শিকার হয় আরও শতাধিক মানুষ।

এসব বন্যা কবলিত ও নদী ভাঙন কবলিদমগ ৩ হাজার মানুষের বিপরীতে ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ১০০টি প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন। গত ২৯ জুন বরাদ্দ দেয়া এসব চাল ও শুকনো খাবার ৩০ জুন উত্তোলন করা হয়। বরাদ্দের চাল তিন কর্মদিবসের মধ্যে বিতরণ শেষ করার কথা থাকলেও মাত্র ৩০টি প্যাকেট শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করেছেন ইউএনও। বন্যা কবলিত মানুষ ৩০মেট্রিক টন চালের কিছুই না পেলেও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বন্যা কবলিত নয় এমন দুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসকের নামে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের মাঝে। চাল বরাদ্দ পাওয়া ইউনিয়ন দুটি হলো সন্তোষপুর ও রামখানা।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম খোদাদাদ হোসেন বলেছেন, এখন বন্যা চলে যাওয়ায় সম্প্রতি বন্যা আক্রান্তদের চাল দেওয়া হয়নি। যদি আবারও বন্যা হয় তখন এগুলো বিতরণ করা হবে।

কোথায় আছে ত্রাণের চাল.?

বন্যা কবলিত ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যানরা জানান, নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অবহেলায় ও খামখেয়ালীপনায় এবার বন্যার্তারা ত্রাণের চাল পায়নি। উত্তোলনকৃত চাল কোথায় এবং কীভাবে আছে সেটি জানা নেই তাদের।

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুজ্জামান দীপ বলেন, “বন্যায় আমার ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। এর মধ্যে ফান্দের চর অন্যতম। ওই সময় বার বার যোগাযোগ করেও বন্যার্তদের জন্য কিছু পাইনি। শুনেছি চাল বরাদ্দ হয়েছে। তবে আমরা এখনো পাইনি। “

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, “আমার ইউনিয়ন কখনো বন্যা কবলিত হয় না। ইউএনওর নির্দেশে বন্যাকবলিতদের বরাদ্দের চাল আমার নামে ১৫ মেট্রিক টন এবং সন্তোষপুর ইউনিয়নের প্রশাসক ফিরোজ কবিরের নামে ১৫ মেট্রিক টন চাল উত্তোলন করে গুদামেই রাখা হয়েছে। চাহিবামাত্র সমুদয় চাল আমরা ফেরত দেব।”

টিসিবি ডিলারের প্রতিনিধি হাবিব বলেন, টিসিবির পণ্যের সাথে সাথে ৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়। কিন্তু গত জুন মাসে ইউএনও সময় মতো ছাড়পত্র না দেয়ায় উপজেলার ৪১হাজার ১০২জন টিসিবি গ্রাহকের ২লাখ ৫হাজার ৫১০ কেজি চাল ফেরত গেছে। এজন্য আমাদের অনেক হেনস্তার স্বীকার হতে হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আ.খ.ম.  ওয়াজিদুল কবীর রাশেদ বলেন, “গত জুন মাসের টিসিবির চাল ফেরত গেছে ইউএনওর অবহেলায়। এতে করে দরিদ্র পরিবার গুলোর অনেক কষ্ট হয়েছে।”

এদিকে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তারা জানান, ইউএনও নাগেশ্বরী পৌরসভার প্রশাসক হওয়ার ক্ষমতার বলে পৌর রাজস্ব খাত থেকে ১৭লাখ টাকার দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করচ্ছে উপজেলা পরিষদ চত্বরে। এরমধ্যে ১০লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন ভবনের সামনে প্রায় ১০০মিটার এসএস পাইপ দিয়ে ফ্যান্সিং দেয়াল নিমার্ণ এবং সাত লাখ টাকা ব্যয়ে দু’হাজার তাল গাছের চারা রোপনসহ স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হচ্ছে। এতে পৌর কর্মচারীর বেতন ভাতায় টান পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। 

এসব বিষয়ে ইউএনওর খামখেয়লীপনা ও অবহেলাকে দুষছেন ভূক্তভোগিরা। তারা আরও জানান, চলতি বছর এপ্রিল মাসে নাগেশ্বরী উপজেলায় রায়গঞ্জ হাট ইজারা দেওয়া হয় ২৬লাখ ৬৬হাজার ৯২৫টাকায়। কিন্তু নিয়মানুযায়ী এই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার কথা থাকলেও ইজারাদার আজিজুল হক তা দেননি। ইজারাদার শুধু বিডির ৬লাখ টাকা জমা করেন। বাকি প্রায় ২১লাখ টাকা এখনও জমা দেননি।

এই বিষয়ে ইজারাদার আজিজুল হক হাটের টাকা জমা না দেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, “শুধু বিডির টাকা দিয়েছি। সময় আছে হাটের টাকা জমা দেয়ার।” এ সময় ইউএনওকে জড়িয়ে সংবাদম প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) এইচ. এম. খোদাদাদ হোসেন জানান, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের আগেই বন্যা শেষ হয়ে যায়। চাল ফেরত দেয়ার কথা ছিলো তবে সেগুলো উত্তোলন করে গুদামেই রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে বন্যা হলে বিতরণ করা হবে। আর বিশেষ কারণে আমার অনুপস্থিতিতে টিসিবি চাল উত্তোলনের সময় পার হয়ে যায়। গ্রাহকদের অন্যান্য পণ্য দেয়া হয়েছে। হাটের টাকা জমার বিষয়ে তিনি বলেন ,এই ব্যাপারটি এসিল্যান্ড ভালো জানেন।

Recommended

বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের ভিসা স্থগিত করল সৌদি

বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের ভিসা স্থগিত করল সৌদি

1 year আগে
শীতের চাদরে ঢাকা রাজধানী

শীতের চাদরে ঢাকা রাজধানী

2 years আগে

Popular News

    Connect with us

    ফেসবুক

    টুইটার

    ইউটিউব

    ইন্সটাগ্রাম

    সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ আলী

    সম্পাদকীয় কার্যালয়: গাজী ভবন (৩য় তলা), প্লট : ৩৫, রোড : ২, ব্লক : খ, সেকশন-৬, ঢাকা-১২১৬।

    Email: news.manabikbangladesh@gmail.com

    Website: www.manabikbangladesh.com Phone : +8809638-360743